রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বনজ সম্পদ রক্ষা ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল সুরক্ষায় রাঙ্গামাটিতে ফরেস্ট গার্ডদের সপ্তাহব্যাপী নিবিড় প্রশিক্ষণ

পার্বত্য অঞ্চলের পাহাড়ি বনভূমি উজাড় রোধ, বিরল বন্যপ্রাণী পাচার দমন এবং আধুনিক জিপিএস প্রযুক্তির সাহায্যে জঙ্গল টহল কার্যক্রম জোরদারে বন কর্মকর্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন।

দ

দেশপত্রিকা প্রধান সম্পাদক

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৫১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ পরিমার্জন: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পাহাড়ি বনাঞ্চল সংরক্ষণ প্রতীকী চিত্রপ্রতীকী ছবি
পার্বত্য বনভূমি ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কার্যক্রম (প্রতীকী ছবি)ছবি: প্রতীকী ছবি
WhatsApp

রাঙ্গামাটি, ২২ সেপ্টেম্বর (দেশপত্রিকা প্রতিনিধি): পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক বনজ সম্পদ রক্ষা, সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে কাঠ পাচার বন্ধ এবং ঝুঁকিপূর্ণ বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল সুরক্ষায় রাঙ্গামাটিতে বন অধিদপ্তরের ফরেস্ট গার্ড ও রেঞ্জ কর্মকর্তাদের সপ্তাহব্যাপী নিবিড় বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। সোমবার সকালে রাঙ্গামাটি সার্কেল বন সংরক্ষকের সম্মেলন কক্ষে এই প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করা হয়।

পার্বত্য অঞ্চলের বিস্তৃত পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত দুর্গম হওয়ায় কাঠ চোর ও অবৈধ শিকারিরা প্রায়শই আধুনিক প্রযুক্তির সুযোগ নিয়ে বন ধ্বংসের অপচেষ্টা চালায়। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় মাঠপর্যায়ের বনকর্মীদের আধুনিক জিপিএস ম্যাপিং, স্যাটেলাইট রিমোট সেন্সিং ভিত্তিক বন পর্যবেক্ষণ এবং ড্রোন নজরদারির বাস্তবসম্মত কলাকৌশল শেখানো হচ্ছে। প্রশিক্ষণে অবৈধ জঙ্গল দখল চিহ্নিতকরণ ও তথ্য সংগ্রহে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

উদ্বোধনী অধিবেশনে বন সংরক্ষক বলেন, “কাপ্তাই লেক সংলগ্ন বনভূমি এবং পার্বত্য অঞ্চলের চিরহরিৎ অরণ্য আমাদের জাতীয় প্রাকৃতিক সুরক্ষার এক অমূল্য অংশ। এই বন কেবল বহুমূল্য কাঠ বা উদ্ভিদের আধার নয়, এটি এশীয় হাতি, হরিণ ও বিরল পাখিদের নিরাপদ আবাস। বন বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের পেশাগত দক্ষতা ও আইন প্রয়োগের স্বচ্ছতাই পারে বন অপরাধীদের হাত থেকে এই সংরক্ষিত পাহাড়ি ইকোসিস্টেমকে বাঁচাতে।”

প্রশিক্ষণে বন আইন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন ২০১২-এর প্রয়োগ এবং স্থানীয় পাহাড়ি নৃগোষ্ঠীর সাথে সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলে যৌথ বন ব্যবস্থাপনা (সিএফএম) কার্যকর করার নানা কৌশল উপস্থাপন করা হয়। সপ্তাহব্যাপী এই প্রশিক্ষণে রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি বন অঞ্চলের মোট ৫০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী অংশ নিচ্ছেন। প্রশিক্ষণ সমাপ্তির পর বনপ্রহরীদের হাতে আধুনিক নিরাপত্তা সরঞ্জাম ও যোগাযোগ ডিভাইস তুলে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

এই সংবাদটি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া কী?

একটি বা একাধিক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করতে পারেন

সম্পর্কিত সংবাদ

আরও সংবাদ

জলবায়ু তহবিলের অর্থায়নে আন্তর্জাতিক স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের রূপরেখা ঘোষণা

আন্তর্জাতিক জলবায়ু চুক্তির আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহজ শর্তে ও সময়মতো অর্থ ছাড়ের দাবিতে বাংলাদেশের উচ্চপর্যায়ের কূটনীতিক তৎপরতা।

রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬দেশপত্রিকা প্রধান সম্পাদক

মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তায় দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা: সমুদ্র উপকূল ও নদীবন্দরগুলোতে সতর্ক পর্যবেক্ষণ

বায়ুমণ্ডলীয় জলীয় বাষ্পের সঞ্চালন এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ অক্ষরেখার প্রভাবে উপকূলীয় জেলাসমূহে বর্ষণের পূর্বাভাস; সার্বিক তাপমাত্রা স্থিতিশীল।

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬দেশপত্রিকা প্রধান সম্পাদক

জলাশয় দূষণ বন্ধে শূন্য সহনশীলতা: গুলশান-বারিধারা লেকের অবৈধ পয়ঃসংযোগ অবিলম্বে বিচ্ছিন্ন করার নির্দেশ

লেক পরিষ্কারে যান্ত্রিক ড্রেজার ও স্কাভেঞ্জিং বোট বৃদ্ধির প্রশাসনিক নির্দেশ জারি

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬দেশপত্রিকা প্রধান সম্পাদক