জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর বৈশ্বিক ফোরাম ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) নেতৃত্বস্থানীয় সদস্য হিসেবে আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়নে স্বচ্ছতা ও সরাসরি জবাবদিহিতার দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত বিশেষজ্ঞ সেমিনারে কপ-৩১ এর পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে এই রূপরেখা উপস্থাপন করা হয়।
**বাংলাদেশের জলবায়ু নীতিমালার মূল দাবি:** - **লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড কার্যকরীকরণ:** আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জাতীয় দুর্যোগ তহবিলে সরাসরি অর্থ বরাদ্দ। - **অ্যাডাপটেশন অর্থায়ন বৃদ্ধি:** প্রশমন (Mitigation) প্রকল্পের চেয়ে টেকসই অভিযোজন (Adaptation) কার্যক্রমে অর্থায়নের অনুপাত বৃদ্ধি। - **উপকূলীয় বনায়ন সুরক্ষা:** সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ঝুঁকি মোকাবিলায় সুন্দরবন ও ম্যানগ্রোভ বাস্তুতন্ত্র সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক সহায়তা। - **নবায়নযোগ্য শক্তি প্রযুক্তি হস্তান্তর:** উন্নত দেশগুলো থেকে সোলার ও উইন্ড টারবাইন প্রযুক্তির সুলভ কপিরাইট ও কারিগরি সহায়তা প্রাপ্তি।
বিশেষজ্ঞরা জোর দিয়ে বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য ন্যূনতম দায়ী হয়েও বাংলাদেশ যে চরম অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখোমুখি হচ্ছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে তার ঐতিহাসিক দায় স্বীকার করতে হবে।



