বাংলাদেশের বহিস্থ অর্থনৈতিক খাতের সক্ষমতা ও বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য ইতিবাচক ধারায় ফিরে আসার তথ্য নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক ক্রেডিট রেটিং এজেন্সিগুলো। সামগ্রিক চলতি হিসাবের উদ্বৃত্ত, আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে রেমিট্যান্সের উচ্চপ্রবৃদ্ধি এবং বহুপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগীদের সাথে ঋণ পরিশোধের সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনায় দেশের সার্বভৌম ঋণমানে স্থিতিশীলতা ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে।
**বহিস্থ খাতের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার মূল স্তম্ভ:** - **আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণ:** অপরিহার্য জ্বালানি, কাঁচামাল ও খাদ্যসামগ্রী ছাড়া বিলাসদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এলসি মার্জিন সফল হয়েছে। - **রপ্তানি পুনরুদ্ধার:** ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও উত্তর আমেরিকার প্রধান বাজারগুলোতে তৈরি পোশাক ও চামড়াজাত পণ্যের প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা। - **আন্তর্জাতিক আর্থিক সহযোগিতা:** সময়োপযোগী ঋণের কিস্তি পরিশোধের ফলে এডিবি, বিশ্বব্যাংক ও জাইকার মতো সংস্থার সাথে আস্থার সম্পর্ক সুদৃঢ়। - **বিদেশি বিনিয়োগ সম্ভাবনা:** বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে (এসইজেড) অবকাঠামো সুবিধা বৃদ্ধির ফলে নতুন শিল্প কারখানা স্থাপনে গতি।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সামষ্টিক অর্থনীতির এই ইতিবাচক গতিশীলতা ধরে রাখতে ব্যাংকিং সুশাসন ও রাজস্ব সংস্কারের গতি আরও বাড়াতে হবে।



