বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্যাবলি জাতীয় অর্থনীতির অভ্যন্তরে মূল্যস্ফীতি বিরোধী আর্থিক ও রাজস্ব নীতির ইতিবাচক ফলাফল নির্দেশ করছে। পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট খাদ্য মূল্যস্ফীতি হ্রাস পেয়ে ৭ দশমিক ০২ শতাংশে অবস্থান করছে, যা সামগ্রিক মুদ্রানীতির প্রত্যাশিত লক্ষ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, গ্রামীণ অর্থনীতিতে কৃষিঋণের সহজলভ্যতা এবং বীজ ও সারের নিরবচ্ছিন্ন প্রাপ্যতা মাঠপর্যায়ে কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করেছে। কৃষকদের সরাসরি বাজার সংযোগ এবং সরকারি উদ্যোগে খাদ্যশস্য সংগ্রহ অভিযান খাদ্য মজুতকে সুসংহত করেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক সুদের হারের সমন্বয় এবং অপ্রয়োজনীয় ভোগব্যয় সংকোচনের নীতি মুদ্রা সরবরাহের বাড়তি চাপ প্রশমিত করতে সহায়ক হয়েছে। এর ফলে মুদ্রাগত মূল্যস্ফীতির পাশাপাশি খাদ্যবহির্ভূত খাতেও চাপ ধীরে ধীরে কমে আসছে।
বিশেষজ্ঞদের অভিমত, এই স্বস্তিকে স্থায়ী করতে হলে কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প এবং কোল্ড চেইন স্টোরেজ নেটওয়ার্কের দ্রুত বিস্তার ঘটানো প্রয়োজন যাতে মৌসুমি উদ্বৃত্তের কারণে কৃষক ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত না হন।



