রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মতামত: নদী ও জলাশয় দূষণ রোধে কঠোর আইন প্রয়োগ ছাড়া বিকল্প নেই

পরিবেশ আইন কার্যকর করে দখলদার ও দূষণকারীদের বিরুদ্ধে স্থায়ী পদক্ষেপ প্রয়োজন

দ

দেশপত্রিকা প্রধান সম্পাদক

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক

প্রকাশ: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৪৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ পরিমার্জন: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকার প্রাকৃতিক জলাশয় ও পরিবেশ সুরক্ষার চিত্রপ্রতীকী ছবি
নদী ও জলাশয় রক্ষায় কঠোর প্রশাসনিক ও পরিবেশগত পদক্ষেপের দাবি। (ফাইল ছবি)ছবি: দেশপত্রিকা মতামত ডেস্ক
WhatsApp

বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ হলেও আমাদের অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতায় দেশের নদী-নালা ও শহরের লেকগুলো আজ মৃতপ্রায়। রাজধানী ঢাকার লেকগুলো থেকে শুরু করে বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ—সবখানেই বিষাক্ত রাসায়নিক বর্জ্য ও গৃহস্থালির আবর্জনার আধিপত্য।

প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি ঢাকার লেকগুলো রক্ষার জন্য যে কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন, তা পরিবেশপ্রেমীদের মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। কিন্তু অতীত আমাদের শিখিয়েছে, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও প্রশাসনিক কঠোরতা ছাড়া কোনো পরিবেশগত সংস্কার টেকসই হতে পারে না।

প্রতিটি দূষণকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে ফৌজদারি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। যতদিন পর্যন্ত পরিবেশ ধ্বংসের জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হবে, ততদিন জলাশয় রক্ষা কেবল স্লোগানেই সীমাবদ্ধ থাকবে।

এই সংবাদটি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া কী?

একটি বা একাধিক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করতে পারেন

সম্পর্কিত সংবাদ

আরও সংবাদ

মতামত: আবহমান বাংলার লোকসংস্কৃতি ও গ্রামীণ উৎসবের জাতীয় ঐক্য ও মূল্যবোধ

প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের যুগেও শেকড়ের সন্ধান, গ্রামীণ মেলার সম্প্রীতি এবং লোকশিল্পের লালনই আমাদের জাতীয় মনস্তত্ত্বের মূল রক্ষাকবচ।

রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬দেশপত্রিকা প্রধান সম্পাদক