রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মতামত: আবহমান বাংলার লোকসংস্কৃতি ও গ্রামীণ উৎসবের জাতীয় ঐক্য ও মূল্যবোধ

প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের যুগেও শেকড়ের সন্ধান, গ্রামীণ মেলার সম্প্রীতি এবং লোকশিল্পের লালনই আমাদের জাতীয় মনস্তত্ত্বের মূল রক্ষাকবচ।

দ

দেশপত্রিকা প্রধান সম্পাদক

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক

প্রকাশ: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ পরিমার্জন: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মতামত: আবহমান বাংলার লোকসংস্কৃতি ও গ্রামীণ উৎসবের জাতীয় ঐক্য ও মূল্যবোধপ্রতীকী ছবি
মতামত: আবহমান বাংলার লোকসংস্কৃতি ও গ্রামীণ উৎসবের জাতীয় ঐক্য ও মূল্যবোধছবি: Deshpotrika.com ডেস্ক
WhatsApp

নদীমাতৃক বাংলাদেশের ইতিহাস মূলত তার গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর পারস্পরিক সহমর্মিতা, শ্রম ও লোকউৎসবের এক অবিচ্ছেদ্য আখ্যান। চর্যাপদ থেকে শুরু করে মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য কিংবা আধুনিক লোকসংগীত—সবখানেই গ্রামীণ জীবনের যৌথ আনন্দ ও দুঃখের প্রতিফলন স্পষ্ট। আজকের তীব্র ব্যক্তিকেন্দ্রিকতা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে আমাদের লোকসংস্কৃতির এই মানবিক ও সামাজিক বন্ধনের গুরুত্ব পুনর্বিবেচনার দাবি রাখে।

**লোকসংস্কৃতির চিরন্তন আবেদন ও জাতীয় গুরুত্ব:** - **সামাজিক সম্প্রীতির ভিত্তি:** ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে গ্রামীণ মেলা, পুণ্যাহ ও লোকনাট্যের সমবেত উদযাপন সমাজের বিভাজন মুছে দিয়ে একাত্মতার বার্তা দেয়। - **পরিবেশবান্ধব জীবনের দর্শন:** লোকজ কুটির শিল্প, মাটির মৃৎশিল্প ও তাঁত বস্ত্র প্রকৃতির সাথে বিরোধ নয়, বরং গভীর একাত্মতার শিক্ষা দেয়। - **শ্রমের মর্যাদা:** কৃষক, কুমার, কামার ও তাঁতীদের সৃষ্টিশীলতাকে সম্মান জানানোর মাধ্যমে একটি মানবিক ও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠনের ভিত্তি রচিত হয়।

আমাদের উন্নয়ন পরিকল্পনায় কেবল ইট-পাথরের অবকাঠামো নয়, জাতীয় সংস্কৃতির শেকড়কে সযত্নে লালন করতে হবে। বিদ্যালয় পর্যায় থেকেই লোকঐতিহ্যের চর্চা নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধে বলীয়ান করবে।

এই সংবাদটি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া কী?

একটি বা একাধিক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করতে পারেন

সম্পর্কিত সংবাদ

আরও সংবাদ

মতামত: নদী ও জলাশয় দূষণ রোধে কঠোর আইন প্রয়োগ ছাড়া বিকল্প নেই

পরিবেশ আইন কার্যকর করে দখলদার ও দূষণকারীদের বিরুদ্ধে স্থায়ী পদক্ষেপ প্রয়োজন

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬দেশপত্রিকা প্রধান সম্পাদক