কৃষি মন্ত্রণালয়ের সময়োপযোগী পদক্ষেপে দেশে সারের সরবরাহ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। আসন্ন অক্টোবর মাসের চাহিদার বিপরীতে নন-ইউরিয়া সারের (টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি) শতভাগ বরাদ্দ ইতোমধ্যে সম্পন্ন করে মাঠপর্যায়ে সরবরাহ শুরু হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, আমন ধানের বৃদ্ধিপর্যায়ে যাতে কোনো ঘাটতি তৈরি না হয়, সেজন্য কুড়িগ্রাম জেলায় অতিরিক্ত ৫০০ টন ইউরিয়া সার পাঠানো হয়েছে। ডিলার বা খুচরা বিক্রেতা পর্যায়ে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি বা সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি নেওয়া হলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ৬৪ জেলাতেই প্রশাসনিক মনিটরিং সেল কাজ করছে।
মাঠপর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের অপ্রয়োজনীয় ইউরিয়া প্রয়োগ এড়িয়ে অনুমোদিত মাত্রায় সুষম সার ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন।


