জাতীয় খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে আধুনিক কৃষি জৈবপ্রযুক্তির কার্যকর প্রয়োগে বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি)। গাজীপুরের বায়োটেকনোলজি বিভাগের বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত বিশেষ টিস্যু কালচার ও মাইক্রো-টিউবার প্রযুক্তির মাধ্যমে শতভাগ ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ামুক্ত বীজ আলু মাঠ পর্যায়ে সফলভাবে উৎপাদন ও সম্প্রসারণ করা হয়েছে।
**গবেষণা ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির মূল দিকসমূহ:** - **রোগমুক্ত বংশবিস্তার:** অ্যাপিক্যাল মেরিস্টেম কালচারের মাধ্যমে ক্ষতিকর পিভিওয়াই ও পিএলআরভি ভাইরাসমুক্ত প্রি-বেসিক বীজ উদ্ভাবন। - **ফলন ও মান বৃদ্ধি:** প্রচলিত বীজের তুলনায় টিস্যু কালচার উদ্ভাবিত বীজে রোগবালাই না থাকায় ফলন হেক্টরপ্রতি ২৫ থেকে ৩০ টন পর্যন্ত পৌঁছেছে। - **আমদানি নির্ভরতা হ্রাস:** প্রতি বছর উচ্চমূল্যে বিদেশ থেকে আনা আলুবীজ আমদানির প্রায় ৬০ শতাংশ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের সম্ভাবনা। - **হিমাগার স্থায়িত্ব:** নতুন জাতের আলু দীর্ঘমেয়াদে সংরক্ষণযোগ্য এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
বারির গবেষকরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) মাধ্যমে নিবন্ধিত চুক্তিভিত্তিক চাষিদের মাঝে এই প্রজনন বীজ বিতরণ শুরু হয়েছে, যা দেশের আলু অর্থনীতিকে টেকসই রূপ দেবে।


