বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা সংহত করতে মুদ্রানীতি, রাজস্ব নীতি এবং বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় যুগপৎ কাঠামোগত সমন্বয় জোরদার করেছে সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারণী কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের ম্যাক্রো-ইকোনমিক কোঅর্ডিনেশন কাউন্সিলের বৈঠকে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজার ও বৈদেশিক লেনদেনের সার্বিক সূচকে স্বস্তি ফিরে আসার তথ্য তুলে ধরা হয়।
**অর্থনৈতিক নীতি সমন্বয়ের প্রধান সূচক:** - **মূল্যস্ফীতির রাশ টানা:** সংকোচনমূলক মানিটারি পলিসির মাধ্যমে মুদ্রা সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করে দীর্ঘমেয়াদি মূল্যস্ফীতির প্রত্যাশা প্রশমিত করা হচ্ছে। - **তারল্য সংকট নিরসন:** কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তারল্য সহায়তা ও কলমানি রেটের শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠার ফলে তফসিলি ব্যাংকগুলোর ঋণপ্রবাহ স্বাভাবিক হচ্ছে। - **রপ্তানি বহুমুখীকরণ:** চামড়া, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং ও ওষুধ শিল্পের জন্য রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলের (ইডিএফ) কার্যকারিতা বৃদ্ধি। - **ঘাটতি বাজেট নিয়ন্ত্রণ:** অনুৎপাদনশীল পরিচালন ব্যয় সংকুচিত করে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অর্থায়ন অগ্রাধিকার বজায় রাখা।
নীতিনির্ধারকরা নিশ্চিত করেছেন যে, আর্থিক খাতের অভ্যন্তরীণ কাঠামোগত সংস্কার অব্যাহত রাখার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনের পরিবেশ সুরক্ষিত থাকবে।




