দেশের বৃহৎ রফতানিমুখী শিল্পখাতের চালিকাশক্তি প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ ব্যবস্থা সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। বঙ্গোপসাগরের মহেশখালী উপকূলে অবস্থিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনালটির জরুরি প্রযুক্তিগত ওভারহলিং সফলভাবে সমাপ্তির পর আজ থেকে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে গ্যাসের চাপ নির্ধারিত মানে উন্নীত হয়েছে।
পেট্রোবাংলার তথ্যমতে, দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রের স্বাভাবিক উৎপাদন হ্রাসের প্রেক্ষাপটে আমদানিকৃত এলএনজি জাতীয় গ্রিডের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ চাহিদা পূরণ করে থাকে। টার্মিনালটি সচল হওয়ায় দৈনিক প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের অতিরিক্ত প্রবাহ সৃষ্টি হয়েছে, যা শিল্প ও সার কারখানাগুলোর চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে।
জ্বালানি নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদারের পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলে স্থায়ী ও ভাসমান এলএনজি অবকাঠামোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
শিল্পোদ্যোক্তারা বর্তমান সরকারের এই দ্রুত পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিরবচ্ছিন্ন রাখার জন্য দীর্ঘমেয়াদী এলএনজি ক্রয়চুক্তির কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।


