উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে একাদশ শ্রেণির ভর্তি প্রক্রিয়ায় দেশের চার শতাধিক কলেজে কোনো শিক্ষার্থী আবেদন না করার ঘটনাটি আমাদের জাতীয় শিক্ষাব্যবস্থার এক চরম বাস্তবতাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। এটি কেবল ভর্তি প্রক্রিয়ার পরিসংখ্যান নয়, বরং শিক্ষা ব্যবস্থার আঞ্চলিক বৈষম্যের প্রকট প্রমাণ।
গ্রামের সাধারণ পরিবারের সন্তানরাও এখন ঋণ করে হলেও শহরে গিয়ে লেখাপড়া করতে চাইছে। এর প্রধান কারণ হলো মফস্বলের কলেজগুলোতে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকের তীব্র সংকট এবং ব্যবহারিক শিক্ষার পরিবেশ না থাকা। বছরের পর বছর অবকাঠামোগত অনুদান বিতরণ করা হলেও শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করার কোনো সমন্বিত নজরদারি নেই।
যদি অবিলম্বে পিছিয়ে পড়া কলেজগুলোতে মেধা ও দক্ষতার ভিত্তিতে শিক্ষক পদায়ন না করা হয় এবং আধুনিক ল্যাব স্থাপন না করা হয়, তবে তৃণমূলের শিক্ষা কাঠামো পুরোপুরি ভেঙে পড়বে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরকে এ ব্যাপারে দীর্ঘমেয়াদি ও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে হবে।


