চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে ফসলের পুষ্টি চাহিদা নিখুঁতভাবে নিরূপণের জন্য দেশে তৈরি হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক 'স্মার্ট মৃত্তিকা স্বাস্থ্য ও সার ব্যবস্থাপনা সিস্টেম'। বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) ও স্থানীয় প্রযুক্তিবিদদের যৌথ গবেষণায় এই আইওটি ডিভাইসের সফল মাঠ পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
**প্রিসিশন প্রযুক্তির প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্যসমূহ:** - **রিয়েল-টাইম নাইট্রোজেন ডিটেকশন:** মাটির নাইট্রোজেন, ফসফরাস ও পটাশের (এনপিকে) মাত্রা কয়েক সেকেন্ডে বিশ্লেষণ করে স্মার্টফোনে নোটিফিকেশন প্রদান। - **সারের অপচয় হ্রাস:** জমিতে অতিরিক্ত ইউরিয়া সার প্রয়োগ বন্ধ হওয়ায় কৃষকের সার ক্রয় বাবদ ব্যয় গড়ে প্রায় ২৫ শতাংশ কমেছে। - **ভূগর্ভস্থ পানির সুরক্ষা:** অতিরিক্ত রাসায়নিক সার চুইয়ে ভূগর্ভস্থ পানির দূষণ এবং গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন রোধ করা সম্ভব হচ্ছে। - **কৃষকবান্ধব অডিও বার্তা:** স্মার্টফোন না থাকলেও সাধারণ ফোনে বাংলায় ভয়েস কলের মাধ্যমে কৃষকদের সারের সঠিক ডোজ জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
কৃষি বিজ্ঞানীরা মনে করেন, এই প্রযুক্তি দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া গেলে একদিকে যেমন মাটির টেকসই স্বাস্থ্য রক্ষা পাবে, তেমনি দেশের সামগ্রিক খাদ্য উৎপাদনশীলতাও নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।

