মৌসুমি ডেঙ্গু জ্বরের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় চিকিৎসকদের সঠিক চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসরণে সহায়তা করতে এবং মৃত্যুর হার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে নতুন 'জাতীয় ডেঙ্গু ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট গাইডলাইন ২০২৬' জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস)। দেশের সব মেডিকেল কলেজ, জেলা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এটি কার্যকর করা হয়েছে।
**নতুন স্বাস্থ্য নির্দেশিকার প্রধান বৈশিষ্ট্য:** - **ফ্লুইড ম্যানেজমেন্ট প্রোটোকল:** অপ্রয়োজনীয় প্লেটলেট ট্রান্সফিউশন বন্ধ করে সময়মতো সঠিক মাত্রায় আইভি স্যালাইন (ক্রিস্টালয়েড ফ্লুইড) প্রয়োগ নিশ্চিত করা। - **ওয়ার্নিং সাইন পর্যবেক্ষণ:** পেটব্যথা, অবিরাম বমি, প্লাজমা লিকেজ ও তীব্র ক্লান্তির মতো প্রাথমিক লক্ষণগুলোর সার্বক্ষণিক নজরদারি। - **বিনামূল্যে টেস্ট কিট সরবরাহ:** ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র পর্যন্ত সরকারি ব্যবস্থাপনায় এনএস-১ অ্যান্টিজেন ও সিবিসি টেস্ট কিট পাঠানো হয়েছে। - **বিশেষায়িত ডেঙ্গু কর্নার:** প্রতিটি সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য সংরক্ষিত ওয়ার্ড এবং প্রশিক্ষিত নার্সিং টিম গঠন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষ জ্বর আসার প্রথম দিনেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে জটিলতা বহুলাংশে এড়ানো সম্ভব।

