রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নগর সৌন্দর্য রক্ষা ও ফুটপাত মুক্তকরণে চসিকের জোরালো অভিযান: অনুমোদনহীন ব্যানার-পোস্টার অপসারণ

চট্টগ্রাম নগরীর প্রধান সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করে পথচারীদের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে এবং অনুমোদনহীন সাইনবোর্ড উচ্ছেদে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে সিটি করপোরেশন।

দ

দেশপত্রিকা প্রধান সম্পাদক

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:১৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ পরিমার্জন: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন উচ্ছেদ ও পরিচ্ছন্নতা প্রতীকী চিত্রপ্রতীকী ছবি
চট্টগ্রাম নগরীর সড়ক ও ফুটপাত পরিচ্ছন্নতা অভিযান (প্রতীকী ছবি)ছবি: প্রতীকী ছবি
WhatsApp

চট্টগ্রাম, ২২ সেপ্টেম্বর (দেশপত্রিকা প্রতিনিধি): চট্টগ্রাম মহানগরের প্রধান সড়কগুলোর সৌন্দর্য বৃদ্ধি, দৃষ্টিদূষণ রোধ এবং পথচারীদের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতে অনুমোদনহীন ব্যানার, ফেস্টুন, বিলবোর্ড ও ফুটপাত দখলদারদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। সোমবার সকাল থেকে নগরীর আন্দরকিল্লা, চকবাজার, জিইসি মোড় এবং আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায় চসিকের ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং পরিচ্ছন্নতা বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

চসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে ফুটপাত ও সড়ক বিভাজকে অবৈধভাবে ঝুলিয়ে রাখা কয়েক শতাধিক প্লাস্টিক ব্যানার, রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক ফেস্টুন এবং লোহার কাঠামোর অনুমোদনহীন বিজ্ঞাপন বোর্ড অপসারণ করা হয়। একই সাথে যেসব বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও দোকান ফুটপাত দখল করে মালামাল রেখে জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছিল, তাদের সতর্ক করার পাশাপাশি প্রতীকী জরিমানা আদায় করা হয়।

অভিযানকালে চসিকের সংশ্লিষ্ট নির্বাহী কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, “চট্টগ্রামকে একটি পরিচ্ছন্ন, পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সিটি করপোরেশন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। ফুটপাত হচ্ছে পথচারীদের নিরাপদ চলাচলের জন্য। কোনো ব্যক্তি বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে পথচারীর অধিকার ক্ষুণ্ণ করে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করতে দেওয়া হবে না। এছাড়া নগরীর শৃঙ্খলা ও সৌন্দর্য বিনষ্টকারী সকল অনুমোদনহীন ব্যানার-বিলবোর্ড নিয়মিত অভিযানের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ করা হবে।”

অভিযানের সময় চসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ তাৎক্ষণিকভাবে অপসারিত বর্জ্য ও অবৈধ কাঠামোগুলো ট্রাকে করে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করে। পথচারী ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা চসিকের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, নগরীর ব্যস্ততম এলাকাগুলোতে ফুটপাত মুক্ত থাকায় দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমেছে। নগরবাসীর দাবি, এ ধরনের অভিযান যেন একদিনের আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ না থেকে নিয়মিত মনিটরিংয়ের মাধ্যমে বজায় রাখা হয়। চসিকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডেই ধারাবাহিকভাবে এই বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এই সংবাদটি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া কী?

একটি বা একাধিক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করতে পারেন

সম্পর্কিত সংবাদ

আরও সংবাদ

রাজধানীর জননিরাপত্তা ও অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশি টহল ও প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি জোরদার

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ৫০টি থানা এলাকায় নাইট পেট্রোলিং, চেকপোস্ট তল্লাশি ও সিসিটিভি ক্যামেরার সেন্ট্রাল কন্ট্রোল রুমের নিবিড় তদারকি।

রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬দেশপত্রিকা প্রধান সম্পাদক

বিমানের লন্ডন-ঢাকা ফ্লাইটে যাত্রীদের বিশৃঙ্খলা: কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ বেবিচকের

বোয়িং ড্রিমলাইনারে অসদাচরণের ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় তদন্তে নেমেছে বিমান ও নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬দেশপত্রিকা প্রধান সম্পাদক

যানজট নিরসন ও পয়ঃনিষ্কাশন উন্নয়নে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণের যৌথ পরিকল্পনা

শহরের জলাবদ্ধতা কমাতে খালের মুখ উন্মুক্ত ও ড্রেনেজ পরিষ্কারের সমন্বিত কার্যক্রম

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬দেশপত্রিকা প্রধান সম্পাদক